Featured
- Get link
- X
- Other Apps
কনটেন্ট রাইটিং কি | দারুন কনটেন্ট লেখার ৯+ টি টিপস বাংলাতে 2023
March 15, 2023
কনটেন্ট রাইটিং কি | দারুন কনটেন্ট লেখার ৯+ টি টিপস বাংলাতে 2023
কনটেন্ট_রাইটিং_কি
কনটেন্ট রাইটিং কি | দারুন কনটেন্ট লেখার ৯+ টি টিপস বাংলাতে 2023
কনটেন্ট রাইটিং কি (what is content writing)। দারুন কনটেন্ট লেখার ৯+ টি টিপস বাংলাতে |
আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানবো কনটেন্ট রাইটিং কি , কি ভাবে একটি দারুন কনটেন্ট লিখবো এবং তার জন্য ৯ টি টিপস।
Table of Contents
কনটেন্ট রাইটিং কি? (What is content writing in Bangla)
ব্লগ সাইট বানানো সুবিধা গুলো হলো (Benefits of Creating Blog Website in Bangla):
কনটেন্ট রাইটিং বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। (Types of Content Writing in Bangla)
৯+ দারুন কনটেন্ট রাইটিং টিপস বাংলাতে। (9+ awesome content writing tips)
একটি কনটেন্ট আউটলাইন তৈরী করুন :
কীওয়ার্ড এর যথাযত ব্যবহার :
একটি ভালো টাইটেল লিখুন :
ভালো মেটা ডেসক্রিপশন লিখুন :
ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ এবং সহজ শব্দ প্রয়োগ করুন :
কনটেন্ট এর Readiability স্কোর চেক করুন :
বিষয় গবেষণা :
Grammer চেক করুন :
Plagiarism চেক করুন :
FAQ বা প্রশ্ন উত্তর ব্যবহার করুন :
দীর্ঘ কনটেন্ট লিখুন :
কনটেন্ট মার্কেটিং নিয়ে জানুন:
কনটেন্ট রাইটিং কি | (What is content writing in Bangla)
কনটেন্ট রাইটিং হলো একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য ওয়েব কনটেন্ট লিখে থাকি। এর মধ্যে কোনো ব্লগ সাইট এর জন্য কনটেন্ট লেখা, কোনো ভিডিও বা পডকাস্ট এর জন্য স্ক্রিপ্ট লেখা , কোনো সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট এর জন্য কনটেন্ট লেখা বা কোনো ই কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশন লেখা।
বর্তমান যুগে কনটেন্ট ছাড়া ওয়েব অচল। আপনি যাই দেখুন সেটা ভিডিও হোক বা টেক্সট সবেতে কন্টেন্ট রাইটিং ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে।
সুতরাং আপনি যদি ভালো কনটেন্ট রাইটার হন তা হলে আপনি মাস গেলে ভালো টাকা উপার্জন করতে পারবেন।
আপনি কোনো জায়গায় কনটেন্ট রাইটার হিসেবে চাকরি করে বা ফ্রীল্যানসিং করে আর করতে পারবেন।
এটা নিশ্চই জানেন যে বাংলা কনটেন্ট এর থেকে ইংলিশ কনটেন্ট এর চাহিদা বেশি এবং সেখানে আয় করার সুযোগ ও বেশি।
তাই প্রথম থেকে আপনি যদি নিজেকে ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজে সাবলীল করে গড়ে তোলেন তাহলে আপনি অনেক বেশি টাকা আয় করতে পারবেন।
সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় আপনি প্রথমেই নিজের একটি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরী করুন।
সেখানে নিজের পছন্দের বিষয় ভালো ভালো আর্টিকেল পাবলিশ করুন তার সাথে SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন টাও শিখুন।
এর পর যখন আপনার ব্লগ রাঙ্ক করবে , আপনার কন্টেন্ট কীওয়ার্ড যখন গুগল এ রাঙ্ক করবে তখন আপনি আপনার ব্লগকে আপনার কাজের উদাহরণ হিসেবে দেখিয়ে অন্য কাজ জোগাড় করুন।
ব্লগ সাইট বানানো সুবিধা গুলো হলো (Benefits of Creating Blog Website in Bangla):
১. কনটেন্ট রাইটিং প্রাকটিস করতে পারবেন।
২. এস ই ও প্রাকটিস করতে পারবেন।
৩. ব্লগে গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে আয় করতে পারবেন।
৪. এফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রোমোটে করে আয় করতে পারবেন।
৫. এই ব্লগের কনটেন্ট গুলো কাজে লাগিয়ে অন্য কাজ জোগাড় করতে পারবেন।
আপনি যদি কনটেন্ট রাইটিং এর কাজ জোগাড় করতে চান তাহলে ফ্রীল্যান্সিন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
আপনি ইচ্ছে করলে নিজের নামে একটি প্রোফাইল বানিয়ে ফাইভের বা আপওয়ার্ক থেকে কাজ জোগাড় করে আয় শুরু করতে পারেন।
এর পর যদি আপনি চান তাহলে ওই ব্লগের বিষয়বস্তু নিয়ে Youtube একটি চ্যানেল বানিয়ে সেখান থেকে রোজগার শুরু করতে পারেন।
এর ফলে আপনার একটা ব্র্যান্ড তৈরী হবে এবং আপনার নাম দিয়ে সার্চ করলে Google এ আপনাকে খুঁজে পাওয়া যাবে।
এটা আপনাকে কাজ পেতে খুব সাহায্য করবে।
এর ফলে আপনি খুব তাড়াতাড়ি ক্লায়েন্ট দের কাছে নিজের বিশ্বাস বা trust গড়ে তুলতে পারবেন।
কিন্তু এসব কিছু নির্ভর করছে আপনার কনটেন্ট রাইটিং এর ওপর।
তাই আসুন জেনে নেয়া যাক কনটেন্ট রাইটিং কয় প্রকার এবং একটি ভালো কনটেন্ট লিখতে আপনি কোন কোন বিষয় গুলো মনে রেখে কাজ শুরু করবেন।
কনটেন্ট রাইটিং এর প্রকারভেদ ।
কনটেন্ট রাইটিং বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। (Types of Content Writing in Bangla)
যেমন :
১. ব্লগিং : যে কোনো ব্লগ এর জন্য কনটেন্ট অপরিহার্য্য। সেটা কোনো বিষয় ভিত্তিক ব্লগ হোক বা কোনো সার্ভিস ওয়েবসাইটের জন্য ব্লগ হোক, সবেতেই কনটেন্ট রাইটিং অপরিহার্য। ভালো কনটেন্ট ছাড়া বর্তমান যুগে ওয়েব অচল।
২. কপিরাইটিং : কপিরাইটিং এর মধ্যে ওয়েব কপি, প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশন বা বিবরণী , কোনো বিজ্ঞাপনের জন্য কনটেন্ট বা কোনো ইনফোগ্রাফিক্স এর জন্য কনটেন্ট যুক্ত।
৩. সোশ্যাল মিডিয়া রাইটিং : ফেসবুক , লিঙ্কডিন , রেড্ডিট , কোৱা , মিডিয়াম এর মতো সোশ্যাল মিডিয়া এবং কনটেন্ট পোস্টিং প্লাটফর্মের জন্য প্রতিদিন কনটেন্ট লাগে। তাই বর্তমানে এই সব প্লাটফর্ম এ ভালো কনটেন্ট রাইটার এর চাহিদা প্রচুর।
৪. ইমেইল মার্কেটিং কনটেন্ট : বর্তমানে ইমেইল মার্কেটিং যে কোনো ব্যাবসার জন্য অপরিহার্য অংশ। তাই একটি ভালো ইমেইল বা নিউস লেটার আপনার ব্যবসাকে বৃদ্ধি করতে খুব সাহায্য করে। একটি ভালো ইমেইল মার্কেটিং কনটেন্ট রাইটার তাই ভালো চাহিদা আছে।
৯+ দারুন কনটেন্ট রাইটিং টিপস বাংলাতে। (9+ awesome content writing tips)
একটি কনটেন্ট আউটলাইন তৈরী করুন :
যে কোনো কনটেন্ট লেখা শুরু করার আগেই তার একটি আউটলাইন তৈরী করুন।
একটি কন্টেন্টের হেডার বডি ফুটার যেন থাকে।
হেডার বা সূচনাতে আপনি মূল বিষয় টিকে উপস্থাপন করবেন। তারপর বডি বা কনটেন্ট এর মূল অংশে ভালো করে বিষয়টি বলবেন। এর পর উপসংহারে সুন্দর ভাবে কন্টেন্টটি শেষ করবেন।
এর জন্য ওয়েব এ অনেক ভালো কনটেন্ট টেম্পলেট পাওয়া যায়। সেগুলো ইচ্ছে করলে ব্যবহার করতে পারেন।
এর জন্য আপনি Buzzsumo টুলটি ব্যবহার করতে পারেন। সেখানে আপনি জনপ্রিয় কনটেন্ট গুলো দেখতে পাবেন।
কনটেন্ট রাইটিং কি
বা আপনি যদি Chrome ব্রাউসার ব্যবহার করেন তাহলে তাহলে Keyword Surfer এক্সটেনশন টি ব্যবহার করতে পারেন।
সেখান থেকে ‘Generate Article Outline‘ টি ব্যবহার করে কানেন্ট আউটলাইন টি তৈরী করুন।
কীওয়ার্ড এর যথাযত ব্যবহার :
যে কোনো কনটেন্ট রাইটিং শুরু করার আগে কীওয়ার্ড নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যদি আপনাকে কীওয়ার্ড দেওয়া হয় তাহলে তার থেকে Long Tail Keyword এবং Related কীওয়ার্ড বার করুন।
মূল কীওয়ার্ড টি আপনার কনটেন্ট এর প্রথম প্যারাগ্রাফ রাখুন।
তার পর লং টেইল কীওয়ার্ড এবং রিলেটেড কীওয়ার্ড গুলো কনটেন্ট এর মধ্যে ব্যবহার করুন।
তবে মনে রাখবেন যে কীওয়ার্ড যেন পুরো কনটেন্ট এ ১-২% এর বেশি ব্যবহার না হয়।
মনে করুন আপনি ১৫০০ ওয়ার্ড এর কোনো আর্টিকেল লিখছেন। সেই হিসেবে ১০ থেকে ১৫ বারের বেশি না হয়।
এর জন্য আপনি Small Seo Tools ব্যবহার করতে পারেন।
একটি ভালো টাইটেল লিখুন :
আপনার কন্টেন্টটি যত ভালোই হোক যদি আপনার কন্টেন্ট টাইটেল টি ভালো , আকর্ষণীয় না হয় তাহলে আপনার সাইট এ ভিসিটর আসবে না।
টাইটেল টি একদিকে আকর্ষণীয় হবে এবং তার মধ্যে কীওয়ার্ড যে অবশই থাকে।
ইচ্ছে করলে গুগল থেকে টাইটেল জেনারেটার টুলস ও ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
কিন্তু সব থেকে আগে হচ্ছে আপনার সৃজনশীলতা।
কনটেন্ট টাইটেল টি যেন ৬০-৬৫ শব্দের বেশি না হয়।
কনটেন্ট টাইটেল ক্যারেক্টার counting characters এর টুলসটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
কনটেন্ট রাইটিং টিপস
ভালো মেটা ডেসক্রিপশন লিখুন :
আমরা Google যখন কিছু সার্চ করি তখন টাইটেল এর নিচে যে প্যারাগ্রাফ টি আসে সেটা হলো মেটা ডেসক্রিপশন।
মেটা ডেসক্রিপশন টি আকর্ষণীয় ভাবে লিখুন , কারণ টাইটেল ও মেটা ডেসক্রিপশন পরেই ভিসিটর রা আপনার সাইট এ আসেন।
মেটা ডেসক্রিপশন টি অবশই ১২০-১৫০ ক্যারেক্টার মধ্যে লিখুন।
counting characters টুলস টি ব্যবহার করতে পারেন এক্ষেত্রেও।
ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ এবং সহজ শব্দ প্রয়োগ করুন :
ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ ব্যবহার করুন। আপনার কন্টেন্টের প্যারাগ্রাফ গুলো যেন কখনোই ১-২ লাইনের বেশি না হয়।
যদি বড়ো প্যারাগ্রাফ দেন তাহলে ইউসার বেশির ভাগ সময় এটি উপেক্ষা করে চলে যায়।
এর সঙ্গে সহজ সহজ শব্দ ব্যবহার করুন। যাতে আপনার কনটেন্ট টি সবাই পড়তে পারে।
কনটেন্ট এর Readiability স্কোর চেক করুন :
এর মাধ্যমে আপনি আপনার কনটেন্ট এর গুণগত ম্যান বুজতে পারবেন।
এছাড়াও কনটেন্ট কত টা সহজ হয়েছে তাও জানতে পারবেন।
Webfx এই লিংক এ ক্লিক করে Readiability চেক করুন। চেষ্টা করুন রেডিবিলিটি স্কোর যেন ৭০ এর ওপর থাকে।
কনটেন্ট রাইটিং কি
বিষয় গবেষণা :
যে কোনো কনটেন্ট লেখার আগেই সেই বিষয় ভালো করে গবেষণা করে নিন।
আপনি গবেষণা এবং কীওয়ার্ড রিসার্চ যত বেশি সময় দেবেন তত আপনার কনটেন্ট এর গুণগত ম্যান বাড়বে।
যদি একটি কনটেন্ট লেখার জন্য ১.৫ দিন সময় পেয়ে থাকেন তাহলে তার ৭০% সময় ব্যয় করুন গবেষণা এবং কীওয়ার্ড রিসার্চ এ।
ওই এক বিষয় এর ওপর যে সব কনটেন্ট আছে সেগুলো পড়ুন, Youtube ওই এক বিষয় এর ওপর ভিডিও থাকলে দেখুন , ওই বিষয় নতুন কোনো আপডেট এসে থাকলে সেগুলো দেখুন।
Grammer চেক করুন :
কোনো কনটেন্ট লেখা হয়ে গেলে অবশই grammer চেক করুন।
এর জন্য ব্রাউসার এ Grammarly এক্সটেনশন টি অ্যাড করে সেখানে লগইন হয়ে কনটেন্ট লিখতে পারেন।
কনটেন্ট রাইটিং কি
বা কনটেন্ট লেখা হয়ে গেলে গুগল এ গ্রামার চেকার ওয়েবসাইট গুলো আছে সেখানে চেক করুন।
যে কোনো কনটেন্ট ডেলিভারি দেয়ার আগেই দেখে নিন যাতে কোনো Grammer মিস্টেকে না থাকে।
Plagiarism চেক করুন :
কোনো কনটেন্ট লেখার ডেলিভারি দেওয়ার Plagiarism অবশই চেক করে নিন।
৫-১০% Plagiarism থাকতে পারে। কিন্তু চেষ্টা করবেন যেন সেটুকু যেন না থাকে।
যদি কোনো উর্ধৃতি বা Quote ব্যবহার করে থাকেন বা কোনো এড্রেস ব্যবহার করে থাকেন , সেই জন্য যদি Plagiarism আছে বলে তাহলে সেগুলো এড়িয়ে যেতে পারেন।
এক্ষেত্রে আপনারা Grammarly প্লাগারিসম টুল টি ব্যবহার করতে পারেন। তবে সব থেকে ভালো টুলস হলো Copyscap.
এখানে আপনারা কিছু কনটেন্ট ফ্রি তে চেক করে দেখতে পারেন।
কনটেন্ট রাইটিং টিপস
FAQ বা প্রশ্ন উত্তর ব্যবহার করুন :
বর্তমানে যদি আপনি কনটেন্ট এর মধ্যে প্রশ্ন উত্তর ব্যবহার করেন তাহলে সেটা গুগল এর চোখে বিশেষ মান্যতা পায়।
প্রশ্ন উত্তর এর মধ্যে অবশই কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
গুগল পিপল অলসো আস্ক থেকে প্রশ্ন গুলো পেতে পারেন বা Answer The Public ওয়েবসাইট টি ব্যবহার ওই কানেন্ট সম্বন্ধেই প্রশ্ন গুলো খুঁজে বার করুন এবং আপনার কনটেন্ট এ ব্যবহার করুন।
কনটেন্ট রাইটিং টিপস
দীর্ঘ কনটেন্ট লিখুন :
বর্তমানে Thin Content একটি সমস্যা গুগল এর কাছে।
তাই চেষ্টা করুন কম করে ১৫০০ ওয়ার্ড বা তার থেকে বেশি ওয়ার্ড এর কনটেন্ট লিখতে।
তাহলে সেটা গুগল এর চোখেও ভালো , আপনি অনেক বেশি কীওয়ার্ড কে ব্যবহার করতে পারবেন , আপনার কনটেন্ট এর বাউন্স রেট ও কমবে এবং যদি আপনি ওয়ার্ড পিছু টাকা পান তাহলে বেশি টাকা আয় করতে পারবেন।
কনটেন্ট মার্কেটিং নিয়ে জানুন:
যদি আপনি একজন সফল কনটেন্ট রাইটার হতে চান তাহলে ভালো কনটেন্ট লেখার পাশাপাশি কানেন্ট মার্কেটিং নিয়েও পড়াশুনো করুন।
পারলে Hubspot একাডেমী থেকে কনটেন্ট মার্কেটিং সম্পর্কে কোর্সটি করতে পারেন।
কনটেন্ট রাইটিং কি
তাই এখন কার যুগে কনটেন্ট রাইটিং এর পাশাপাশি কনটেন্ট মার্কেটিং সম্বন্ধে অবশই জানুন।
কোনো কন্টেন্ট ডেলিভারি দেয়ার আগে ডক ফাইল এ নিচের বিষয় গুলো অবশই উল্লেখ করুন :
১. কনটেন্ট এর টাইটেল
২. কনটেন্ট এর মেটা ডেসক্রিপশন
৩. কীওয়ার্ড সমূহ
৪. মূল কনটেন্ট টি
৫. শেষে কন্টেন্টটি কত ওয়ার্ড এর।
কনটেন্ট ডেলিভারি হয়ে গেলে ক্লায়েন্ট ক পাবলিশড ইউআরএল টি চাইতে পারেন। তাহলে দেখতে পারবেন যে কনটেন্ট কি রাঙ্ক করছে কিনা।
যদি আপনি USA বা UK এর মতো দেশকে উদ্দেশ্য করে কনটেন্ট লেখেন তাহলে অবশই Bing ব্যবহার করতে পারেন। ওখানে সেটিংস এ গিয়ে কান্ট্রি USA করে নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে সার্চ করুন। অনেক কনটেন্ট আইডিয়া পাবেন। ওই কনটেন্ট গুলো অনুসরণ করেন নিজের কনটেন্ট তৈরী করুন।
সেই সঙ্গে এটি আপনার পোর্টফোলিও হিসেবে অন্য ক্লায়েন্টদের ওর দেখতে পারবেন।
পরিশেষে বন্ধুরা আপনারা এই আর্টিকেল টি পরে বুজলেন কনটেন্ট রাইটিং কি, কনটেন্ট রাইটিং থেকে কি ভাবে আপনারা আয় করবেন , কনটেন্ট রাইটিং এর প্রকারভেদ এবং একটি ভালো কনটেন্ট লিখতে গেলে কি কি বিষয় মনে রাখতে হবে।
এর সঙ্গে আপনাদের প্রতিদিন কনটেন্ট রাইটিং প্রাকটিস করতে হবে , ইংলিশ ভাষায় নিজেকে সাবলীল ভাবে গড়ে তুলতে হবে এবং অনেক অনেক ব্লগ পড়তে হবে বিভিন্ন বিষয়। তবেই আপনি একজন সেরা কনটেন্ট রাইটার হতে পারবেন এবং মাস গেলে ভালো টাকা আয় করতে পারবেন।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments
Post a Comment